কখনো কখনো পরতে পরতে মিথ্যে দিয়ে সাজানো দেয়াল ধ্বসে পড়ে
চেনা অচেনা আলো আঁধারে
চেরাফাটা দীর্ঘশ্বাস একটা দুটো মাঝে মাঝে ঝরে পড়ে
ঘুরঘুট্টি অন্ধকার রাতে চুপিসারে
একবারই শুধু দেখেছিলাম তোমার কোমল শুভ্র দুটি হাত
প্রথম শেখা প্রেমের ধারাপাত
দৌড়ে এসেছিলে সিঁড়ির কিনারে হঠাৎ কি যেন মনে করে
বিধাতার নিষ্ঠুর অবিচারে
হয়তোবা দেখা হয়ে যাবে একদিন এই মহানগরীর কোণঠাসা ভিড়ে
অসমাপ্ত সময়কে ঘিরে
তোমার চোখে হয়ত অবিশ্বাস, আমার নির্ঘুম চোখের নিচে দাগ
এক ফোঁটা অভিমান এক ফোঁটা রাগ।
কিছুটা সময়ের ছোট ছোট বিরতি নিয়ে ফিরে ফিরে পিছনে তাকানোর স্বভাবটা থেকে মুক্ত হওয়ার একটা ক্ষীণ আশা নিয়ে এই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির শুরু অথবা আরো স্পষ্টভাবে নিজের ভিতর লুকিয়ে থাকা এক ব্যর্থ কবির আখ্যান কাছ থেকে দেখাটাও একটা উদ্দেশ্য। নিজের কলুষিত আত্মার গভীর থেকে টেনে হিঁচড়ে বের করা কিছু বাঙময় অভিব্যক্তি দিয়ে সাজানো একটা কল্পলোক সৃষ্টি করাই বা কম কি এই অকবির পক্ষে?
বৃহস্পতিবার, ৯ মে, ২০১৩
সোমবার, ৭ মে, ২০১২
নিহত কবি
একজন কবি দুইজন কবি
বহু বহু কবি নিহত আজ
পৃথিবীর এই বহুজাতিক স্লোগানে
নেই কোন পদচ্ছাপ রেখে যাওয়া ভুলে
নিহত কবিরা সব কলম নিয়েছে তুলে
আকাশে বাতাসে ভারী দীর্ঘশ্বাস
দপদপে শিখা হয়ে কাঁপে
রমরমে ব্যানারে, পোস্টারে দেয়ালেরা রঙিন জলছাপে
কখনো যদি কবির মৃত্যু হয় এই ষ্টীমরোলারে
স্বপ্ন চুরি যায় সিঁধকাটা আঁধারে
আমি ও আমরা আসব কোন এক চুপিসারে।
বহু বহু কবি নিহত আজ
পৃথিবীর এই বহুজাতিক স্লোগানে
নেই কোন পদচ্ছাপ রেখে যাওয়া ভুলে
নিহত কবিরা সব কলম নিয়েছে তুলে
আকাশে বাতাসে ভারী দীর্ঘশ্বাস
দপদপে শিখা হয়ে কাঁপে
রমরমে ব্যানারে, পোস্টারে দেয়ালেরা রঙিন জলছাপে
কখনো যদি কবির মৃত্যু হয় এই ষ্টীমরোলারে
স্বপ্ন চুরি যায় সিঁধকাটা আঁধারে
আমি ও আমরা আসব কোন এক চুপিসারে।
সব কিছু ভেঙে পড়ে
শ্রম আর ঘাম, প্রেম আর কাম
উল্লসিত রক্তস্রোত, নির্বাপিত দেহরস
প্রতিহিংসা ঘৃণা এমনকি ক্রোধ
আচমকা ভয়, প্রতিরোধ সান্ত্বনা
সব কিছু ভেঙে পড়ে।
দিন আর রাত, নির্ঘুম অপরাধ
বানোয়াট রূপকথা, নির্লজ্জ জ্বালিয়াত
জীবন্ত কিংবা মৃত, জ্বলন্ত ধ্বংসস্তুপ থেকে
অগুনতি শুঁয়োপোকা আর জাতশকুনের দল
লঙ্ঘিত সীমানা আর দুমড়ানো মুচড়ানো বাঁধ
নগ্ন অনাবিল জলস্রোত, রাশি রাশি বীজ
ব্যর্থ চাষবাস, অনুর্বর বাঁজা ভূমি
অক্লান্ত প্রতিশ্রুতি আর অবিশ্রাম ছন্দপতন
সলজ্জ শিহরন কিংবা নির্দোষ ইচ্ছা
শ্রমে,ঘামে,প্রেমে,কামে বেড়ে ওঠা
নির্দয় নিষ্ঠুর বিকেলের মরে যাওয়া আলোয়
যাপিত জীবনের প্রতি থান ইটের মত করে
সব কিছু ভেঙে পড়ে।
১৪।০১।২০১২
উল্লসিত রক্তস্রোত, নির্বাপিত দেহরস
প্রতিহিংসা ঘৃণা এমনকি ক্রোধ
আচমকা ভয়, প্রতিরোধ সান্ত্বনা
সব কিছু ভেঙে পড়ে।
দিন আর রাত, নির্ঘুম অপরাধ
বানোয়াট রূপকথা, নির্লজ্জ জ্বালিয়াত
জীবন্ত কিংবা মৃত, জ্বলন্ত ধ্বংসস্তুপ থেকে
অগুনতি শুঁয়োপোকা আর জাতশকুনের দল
লঙ্ঘিত সীমানা আর দুমড়ানো মুচড়ানো বাঁধ
নগ্ন অনাবিল জলস্রোত, রাশি রাশি বীজ
ব্যর্থ চাষবাস, অনুর্বর বাঁজা ভূমি
অক্লান্ত প্রতিশ্রুতি আর অবিশ্রাম ছন্দপতন
সলজ্জ শিহরন কিংবা নির্দোষ ইচ্ছা
শ্রমে,ঘামে,প্রেমে,কামে বেড়ে ওঠা
নির্দয় নিষ্ঠুর বিকেলের মরে যাওয়া আলোয়
যাপিত জীবনের প্রতি থান ইটের মত করে
সব কিছু ভেঙে পড়ে।
১৪।০১।২০১২
শনিবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১২
চন্দ্রালোকে আত্মাশুদ্ধি
কিছুটা সময়ের ছোট ছোট বিরতি নিয়ে ফিরে ফিরে পিছনে তাকানোর স্বভাবটা থেকে মুক্ত হওয়ার একটা ক্ষীণ আশা নিয়ে এই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির শুরু অথবা আরো স্পষ্টভাবে নিজের ভিতর লুকিয়ে থাকা এক ব্যর্থ কবির আখ্যান কাছ থেকে দেখাটাও একটা উদ্দেশ্য। নিজের কলুষিত আত্মার গভীর থেকে টেনে হিঁচড়ে বের করা কিছু বাঙময় অভিব্যক্তি দিয়ে সাজানো একটা কল্পলোক সৃষ্টি করাই বা কম কি এই অকবির পক্ষে?
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)