বেকার ঘরভরন্ত ওয়েস্ট পেপার বাস্কেটে
কিংবা হাতের জ্বলন্ত প্রতিটি সিগারেটে
জাদুর বাক্স আর রূপালি পর্দায়
তুমি রয়ে গেছো সবগুলো দৃশ্যপটে।
আমাদের জাগতিক অনুভূতি
মহাজাগতিক সমীকরনে
নিত্য জীবনবাসনা আর ব্যগ্র ক্রোধের অন্তরালে
তুমি এঁকে গেছো ছবি সন্তর্পণে।
ইতিহাসকেও অবলীলায় অনুভূতির বিবরে
টেনে কবিস্পর্শে দিয়েছো প্রাণ
তোমার নামে আকাশভাঙা জোছনা ঝরে
মনে পড়ে বাদল দিনের গান।
উড়ে যাও তুমি প্রাচীন কোন দেবযানে
তোমার নিজভূম সন্ধানে
জেনো তুমি তোমার মন্ত্র এখনো বাজে
প্রতিটি তরুন লেখকের কানে কানে।
(হুমায়ুন আহমেদ স্মরনে)
কিছুটা সময়ের ছোট ছোট বিরতি নিয়ে ফিরে ফিরে পিছনে তাকানোর স্বভাবটা থেকে মুক্ত হওয়ার একটা ক্ষীণ আশা নিয়ে এই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির শুরু অথবা আরো স্পষ্টভাবে নিজের ভিতর লুকিয়ে থাকা এক ব্যর্থ কবির আখ্যান কাছ থেকে দেখাটাও একটা উদ্দেশ্য। নিজের কলুষিত আত্মার গভীর থেকে টেনে হিঁচড়ে বের করা কিছু বাঙময় অভিব্যক্তি দিয়ে সাজানো একটা কল্পলোক সৃষ্টি করাই বা কম কি এই অকবির পক্ষে?
সোমবার, ২ জুন, ২০১৪
ফাঁকা
কঠিনতর হয়ে পড়ে সবকিছু
ধ্বনিবিস্ময় ঝরে পড়ে অনবদ্য ঝংকারে
হারিয়ে যাওয়ার নিরাপদ নিশ্চয়তায়
উড়িয়ে দেই পৃথিবী কবিতার ফুঁৎকারে।
সঙ্গী হয় নতজানু গদ্য আর চিত্রকলা
মাথার থেকে পায়ে পড়া জরজর ঘাম
দুয়েকটা সংগীত আর চলচ্চিত্রের সাথে
ব্যক্ত হয় জীবন, শরীর, প্রেম ও কাম।
কতদিন ছায়া ছায়া আলো আঁধারে
একা একা বেড়াচ্ছি পায়ে হেঁটে
হাঁটতে হাঁটতে জানিনা যাওয়া যায় কতদূর
না জানি কপালে কি জোটে।
পুরোপুরি মায়াহীন এক পৃথিবীতে
কেন একা একা এই জেগে থাকা
মত্ত লোকালয়ে হাজারো মহোৎসব
তবুও আমারি হৃদয় কেন ফাঁকা।
ধ্বনিবিস্ময় ঝরে পড়ে অনবদ্য ঝংকারে
হারিয়ে যাওয়ার নিরাপদ নিশ্চয়তায়
উড়িয়ে দেই পৃথিবী কবিতার ফুঁৎকারে।
সঙ্গী হয় নতজানু গদ্য আর চিত্রকলা
মাথার থেকে পায়ে পড়া জরজর ঘাম
দুয়েকটা সংগীত আর চলচ্চিত্রের সাথে
ব্যক্ত হয় জীবন, শরীর, প্রেম ও কাম।
কতদিন ছায়া ছায়া আলো আঁধারে
একা একা বেড়াচ্ছি পায়ে হেঁটে
হাঁটতে হাঁটতে জানিনা যাওয়া যায় কতদূর
না জানি কপালে কি জোটে।
পুরোপুরি মায়াহীন এক পৃথিবীতে
কেন একা একা এই জেগে থাকা
মত্ত লোকালয়ে হাজারো মহোৎসব
তবুও আমারি হৃদয় কেন ফাঁকা।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)